বাংলাদেশি মেয়ে ও মালয়েশীয় ছেলের বিয়ে

কুয়ালালামপুর, ১৮ আগষ্ট- সময়টা ১৯৪৮ সাল। বাংলাদেশ থেকে সুদূর মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমিয়েছিলেন আবদুস সামাদ। তখন থেকে মালয়েশিয়াতেই থেকে যান তিনি। বিয়ে করেন মালয়েশিয়ান নারীকে। স্ত্রীকে নিয়ে বাংলাদেশেও এসেছিলেন আবদুস সামাদ। স্ত্রী রান্না করেছেন মাটির চুলাতেও। বাংলাদেশিদের আতিথেয়তায় বাঙালিদের ভালোবেসে ফেলেন সামাদের স্ত্রী। তাঁর কাছে বাঙালি মানেই ভালো মানুষ। আবদুস সামাদ মারা যান ১৯৯৪ সালে। এরপর বাংলাদেশের সঙ্গে যোগাযোগ প্রায় বন্ধই হয়ে গিয়েছিল সামাদের স্ত্রীর। গত ৫ আগষ্ট বিয়ের পিঁড়িতে বসেন বাংলাদেশি মেয়ে ফারজানা আক্তার পান্না এবং মালয়েশীয় ছেলে মোহাম্মদ সাফোয়ান। পান্নার বাবা নূর মিয়া বছর ১৫ বছর আগে জীবন-জীবিকার তাগিদে বাংলাদেশের সুনামগঞ্জের ছাতক থেকে মালয়েশিয়ায় চলে আসেন। সেখানে আবদুস সামাদের Continue reading বাংলাদেশি মেয়ে ও মালয়েশীয় ছেলের বিয়ে

সীমানা না মানা প্রেম-বিয়ে

08 Sep, 2014 [বিশ্বায়নের যুগে ‘আন্তর্জাতিক বিয়ে’ সাধারণ ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বহুল প্রচারিত রিডার্স ডাইজেস্ট পত্রিকায় ভৌগোলিক সীমানা অতিক্রমকারী তিন দম্পতির সাথে কথা বলে তাদের প্রেম, বিয়ের কাহিনী প্রকাশ করেছে। সেই কাহিনী অন্যদিগন্তের পাঠকদের কাছে তুলে ধরা হলো ] ডেভিড বাউই ও ইমান, সিল ও হেইদি কামের মধ্যে কী কী মিল আছে? হ্যাঁ, তারা সেলিব্রেটি দম্পতি। তবে তার চেয়েও বড় কথা, তারা ভৌগোলিক সীমানা অতিক্রম করে ভিন্ন দেশের লোকদের বিয়ে করেছেন। আজকের বিশ্বে ‘পরদেশীকে’ বিয়ে করা দম্পতির সংখ্যা অনেক। তারা এসব লোকেরই প্রতিনিধিত্ব করছেন। বাউই ও সিল উভয়েই ইংরেজ, কাম জার্মান আর ইমান সোমালি বংশোদ্ভূত। দৃশ্যত, ভিনদেশী এমনকি ভিন্ন মহাদেশের Continue reading সীমানা না মানা প্রেম-বিয়ে